ঢাকাশনিবার , ৭ আগস্ট ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আরো
  4. কৃষি সংবাদ
  5. জাতীয়
  6. নেত্রকোণা জেলার খবর
  7. প্রধান খবর
  8. প্রযুক্তি
  9. ফিচার
  10. বিদেশ খবর
  11. বিনোদন
  12. বিভাগীয় খবর
  13. রাজনীতি
  14. রাশিফল
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কমলা চাষে সফল প্রাথমিকের শিক্ষক ফাতেমা

জনপ্রিয় ডেস্ক
আগস্ট ৭, ২০২১ ১২:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে গত এক বছরের অধিক সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তাই ঘরে বসে সময় নষ্ট না করে কমলা বাগান পরির্চযায় ব্যস্ত সময় পার করছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কমলা চাষী এবং লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিম সারডুবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা: ফাতেমা মজুমদার। প্রধানমন্ত্রী দেয়া জাতীয় পুরস্কার আর কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ এই শিক্ষিকাকে কমলা চাষে আরো উৎসাহিত করেছে। ফাতেমা এখন লালমনিরহাট জেলার অনেকের প্রেরণা।

হাতীবান্ধা উপজেলার পশ্চিম সারডুবী এলাকার খলিলুর রহমানের স্ত্রী ফাতেমা মজুমদার ২০০৫ সালে কমলা খেয়ে পরিক্ষামূলকভাবে একটি বীজ রোপন করেন। সে চারা গাছ থেকে আজ বিশাল বাগান করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। বর্তমান তার বাগানে নাগপুরিসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের ৫ শতাধিক গাছে কমলা ধরেছে। চারা গাছ ও কমলা বিক্রি করে প্রতি মৌসুমে ৫ লাখ টাকা আয় করেন ওই শিক্ষক। ইতিমধ্যেই একজন সফল কমলা চাষী হিসেবে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছেন ফাতেমা।

এছাড়াও তার বাগানের ছবি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসকসহ একের পর এক সরকারি, বেসরকারি উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা তার কমলা বাগান পরিদর্শন করেন। তার বাগান থেকে কমলা বিক্রি শুরু হয়েছে ২০১৪ সালে। মাত্র দুই বছরের মাথায় অর্থাৎ ২০১৬ সালের ৭ জানুয়ারী শ্রেষ্ঠ কমলা চাষী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন ফাতেমা মজুমদার।

কমলা চাষী ফাতেমা মজুমদার বলেন, ‘কমলা একটি অর্থকারী ফল হলেও আমরা উত্তরাঞ্চলের মানুষ সেটি হিসেবে ধরি না। অথচ এ অঞ্চলের মাটি কমলা চাষের উপযোগী, তার বাস্তব প্রমান আমার বাগান।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নারীরাও পারেন সহযোগিতার হাত বাড়াতে। তাই আমি চুপ করে ঘরে বসে না থেকে কৃষিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশ নিচ্ছি। এখন পর্যায়ক্রমে বাগান সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ৫ শতাধিক কমলা গাছ থেকে কমলা উৎপাদিত হচ্ছে। পাশপাশি নার্সারী থেকে হাজার হাজার কমলার কলম চারা বিক্রি করে বছরে ৫ লাখ টাকা আয় হচ্ছে।’

ফাতেমা মজুমদারের মতো তার স্বামী খলিলুর রহমানও একজন স্কুল শিক্ষক। তিনি হাতীবান্ধা উপজেলার মিলনবাজার মোজাম্মেল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকতা করেও এমন একটি বিশাল কমলা বাগান গড়ে তুলেছেন এই শিক্ষিকা। আর এই কাজে তার যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন তার শিক্ষক স্বামী। তাদের এই কমলার বাগান লালমনিরহাট জেলার বাসিন্দাদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা ও গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষকতা পেশায় গুরু দায়িত্ব পালন করার পরও কমলার বাগানে যথেষ্ট সময় দিয়েছেন ফাতেমা ও তার স্বামী খলিলুর রহমান। এই বাগানের সফলতা ও এখান থেকে অর্জিত বাড়তি আয় বদলে দিয়েছে তাদের জীবনযাত্রা। এখন ভবিষ্যতের সুন্দর স্বপ্ন দেখছেন ১ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ ৫ সদস্যর এই পরিবারটি। প্রাথমিকের শিক্ষক ফাতেমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে এই কমলার বাগানটি।

আরো পড়ুনঃ নেত্রকোনায় ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু

প্রান্ত/জনপ্রিয়

x