ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আরো
  4. কৃষি সংবাদ
  5. জাতীয়
  6. নেত্রকোণা জেলার খবর
  7. প্রধান খবর
  8. প্রযুক্তি
  9. ফিচার
  10. বিদেশ খবর
  11. বিনোদন
  12. বিভাগীয় খবর
  13. রাজনীতি
  14. রাশিফল
  15. লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীরা কোন ফল নিশ্চিন্তে খেতে পারেন

অনলাইন ডেস্কঃ
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বর্তমানে ডায়াবেটিস বা সুগারের সমস্যা ঘরে ঘরে। ওষুধের পাশাপাশি সুস্থ থাকতে খাবার নিয়ন্ত্রণ করাটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সুগার হলে মিষ্টি খাওয়ায় বাধা-নিষেধ থাকে অনেক রোগীরই। অনেকের এই সময় আবার মিষ্টি খেতেই মন চায়। আপনার সুগার ক্রেভিং মেটাতে ফলের ওপর ভরসা করতে পারেন। কিছু ফল আছে যা নির্ভাবনায় ডায়াবিটিস রোগীরা খেতে পারেন।

সহজলোভ্য না হলেও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি বেশ স্বাস্থ্যকর ও উপকারী একটি ফল। এই ফল রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে। বাঙালির ফল-বিলাসের তলিকায় আম-কাঁঠাল-লিচু-আপেলের তুলনায় এখন অনেক পিছনের সারিতে আতার অবস্থান। আতার পায়েস হয় সেটাও জেন ওয়াইদের অনেকের জানা নেই। অথচ এই সীতাফলটি শরৎ ঋতুর সূচনা লগ্নের অন্যতম অনুষঙ্গ। কেউ বলেন রামচন্দ্রের বনবাস কালে সীতার প্রিয় ফল বলেই আতাকে এমন নামে ডাকা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আতা খেলে শরীর ঠান্ডা হয়। কোনও কোনও এলাকায় আতাকে বলা হয় ‘শরিফা’। কেউ আবার বলেন ‘নোনা’। আতার সঙ্গে নোনার তফাত স্বাদে ও স্পর্শে। নোনার শাঁসে বালির মতো দানা ভাব। আতার শাঁস প্রবল মিষ্টি ও মসৃণ। এ রাজ্যে এখন অবশ্য গৃহস্থের উঠোনে কিংবা বনে-জঙ্গলে আতা গাছের কদাচিৎ দেখা মেলে। সুপরিচিত সেলিব্রিটি ডায়েটিশিয়ান-পুষ্টিবিদ Munmun Ganeriwal এই ফল সম্পর্কে এই কথাগুলো বলেছেন। মুনমুন সম্প্রতি শরিফা সম্পর্কে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন, যাতে তিনি এই ফলের অনেক উপকারিতা বলেছেন। শরৎ-এর মরসুমে খাদ্যতালিকায় এই ফল অন্তর্ভুক্ত করা কেন গুরুত্বপূর্ণ জেনে নিন

আতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আপনার শরীরে ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে। উচ্চ মাত্রার ফ্রি র‍্যাডিক্যাল অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করতে পারে, যা ক্যানসার এবং হৃদরোগ সহ অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের সঙ্গে যুক্ত। একটি টেস্ট-টিউব গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এর খোসা এবং শাঁস উভয়ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চমৎকার উৎস। তবে মনে রাখবেন, স্বাস্থ্যের কারণে আপনার চেরিমোয়ার খোসা খাওয়া উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ এ ফল শরীরের জন্য খুব কাজের। এ ফলে রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখের কর্নিয়া ও রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে

আতায় আছে পটাশিয়াম, যা রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। আতায় আছে নিয়াসিন ও ফাইবার, যা প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়।

রক্তশূন্যতা দূর হয়

আতা ফলটি আয়রনে পরিপূর্ণ। তাই এটি খেলে লোহিত রক্তকণিকা বাড়ে। এতে রক্তশূন্যতা দূর হয়। আতায় আছে থিয়ামিন। এটি খাবারকে এনার্জিতে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে। আতায় আছে ম্যাগনেশিয়াম, যা হাড়ের গঠন মজবুত করে। এই ফলের মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম মাংসপেশির জড়তা দূর করে এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। এর পটাশিয়াম ও ভিটামিন বি৬ রক্তের উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

শরিফা ডায়াবিটিস এবং PMS এর জন্য ভালো

সেলিব্রিটি ডায়েটিশিয়ান-পুষ্টিবিদ Munmun ব্যাখ্যা করেছেন যে আতা ভিটামিন বি 6 এর একটি ভালো উৎস, এটি খেলে ফুসকুড়ি এবং PMS নিরাময়ে সহায়তা করবে। আপনি যদি ডায়াবেটিস বা রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে এটি সবচেয়ে ভালো ফল হওয়া উচিত। উচ্চ খাদ্যতালিকাগত ফাইবার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়, এতে উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। আতায় উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। দুরারোগ্য ব্যাধিকে তাড়িয়ে আপনাকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।

আরো পড়ুনঃ তুলসি পাতার গুণেই কমবে ডায়াবেটিস

সূত্র: এইসময়

x