ঢাকাশনিবার , ২ অক্টোবর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আরো
  4. কৃষি সংবাদ
  5. জাতীয়
  6. নেত্রকোণা জেলার খবর
  7. প্রধান খবর
  8. প্রযুক্তি
  9. ফিচার
  10. বিদেশ খবর
  11. বিনোদন
  12. বিভাগীয় খবর
  13. রাজনীতি
  14. রাশিফল
  15. লাইফস্টাইল

তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়েও মিলেছে না কোন তথ্য

অনলাইন ডেস্কঃ
অক্টোবর ২, ২০২১ ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নেত্রকোণার খালিযাজুরী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তা রাজীব আহম্মেদের কাছে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়েও মিলেনি কোন তথ্য। এতে করে সংবাদ প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মূল ধারার সাংবাদিকতার পেশা।

জানা যায়, খালিয়াজুরী উপজেলার সাংবাদিক মৃনাল কান্তি দেব চলতি বছরের ১৭ জুন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বরাবর নেত্রকোণা-৪ সাংসদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (টিআর) কর্মসূচীর আওতায় ডিও নং-বাজাস/১৬০-নেত্র-৪/২০২১-৪০ মূলে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (টিআর) কর্মসূচীর আওতায় ৩য় কিস্তির উপজেলার বিভাজনকৃত বরাদ্দ ২৪ টি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র চেয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন। কিন্তু অদ্যাবধি পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কোন তথ্য দেয়নি।

এদিকে ২০০৯ সালের তথ্য অধিকার আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী তথ্য চাওয়ার ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য প্রদান করতে সমর্থ না হলে ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে তথ্য প্রদান করার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই আইন অমান্য করে তথ্য দেয়নি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

অভিযোগ রয়েছে, বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন না করেই পিআইসির মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে হাতিয়ে নিয়েছে এই কর্মকর্তা। শুধু কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে কাজ। লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট। উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের বলরামপুর পরাগের বাড়ী হইতে পুকুরপাড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ বাবদ বরাদ্দ ৬০,০০০/= টাকাসহ একই ইউনিয়নের আরও অনেক কাজ বাস্তবায়িত না করেই উত্তোলন করা হয়েছে টাকা। এধরনের অধিকাংশ প্রকল্প আংশিক কাজ আবার কাজ না করেই টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা রয়েছে।

খালিয়াজুরী অফিসার্স ক্লাবের সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তবে শুনেছি পরে কোন এক সময কাজ করিয়ে নিবেন।’

এ বিষয়ে জানতে খালিয়াজুরী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজীব আহম্মদের কাছে মুটোফোনে কিংবা স্ব-শরীরে সাক্ষাত করতে গেলে তাকে পাওয়া যায় না। বারবার ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেন না। ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোন ধরণের সাড়া দেননি। অফিসে গিয়ে আবারও তাকে (পিআইও) ফোন দিই কিন্তু তিনি ফোন ধরেন না। অফিসে কম্পিউটার অপারেটর রেহানের কাছে আবেদন জমা দিয়ে রিসিভ কপি নিয়ে আসি।

কম্পিউটার অপারেটর রেহান বলেন, ‘আমি স্যারকে জানাব এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য পাওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।’

খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম আরিফুল ইসলামকে অবগত করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি বলে দিব তথ্য দিয়ে দিবে।’

আরো পড়ুনঃ নেত্রকোনায় জব্দকৃত ময়ূর ও উটপাখি বনবিভাগের নিকট হস্তান্তর

x