G-P4YRF2NDHL G-P4YRF2NDHL
Thursday, June 13, 2024
Google search engine

নেত্রকোনায় জঙ্গি আস্তানা : নারীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

জনপ্রিয় ডেস্ক:

নেত্রকোনা সদর থানাধীন কাইলাটি ইউনিয়নের ভাসাপাড়া (কাওলীকোনা) গ্রামে একটি জঙ্গি আস্তানা ও জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গত রবিবার অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশী পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, জঙ্গি প্রশিক্ষণের বই, প্রশিক্ষণের জন্য খেলনা পিস্তল, হেন্ডকাপ, ওকিটকি, একটি ল্যাপটপ, দুইটি দুরবীন, ৫টি এন্ড্রয়েড ফোন, কোমরে বাঁধার বেল্ট, জিম করার সরঞ্জামাদি, বেশ কিছু জঙ্গি প্রশিক্ষণের ডিভাইসসহ ৮০ প্রকারের মালামাল জব্দ করে পুলিশ।

বিল্ডিং থেকে ৬টি তাজা বোমা উদ্ধারের ৫টি বোমা বিল্ডিং এর ভেতরে এবং একটি বোমা বাইরে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে সন্ত্রাস দমন আইনের ৭ ধারায় মডেল থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) আনিছুর আশেকিন বাদী হয়ে নারীসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলাটি দায়ের করেছেন।

আসামীরা হচ্ছে- পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠি) থানার উত্তর বালিহারী (মাঝিবাড়ি) গ্রামের মো: সেলিম মিয়ার ছেলে মোঃ হামিম হোসেন ওরফে ফাহিম ওরফে আনোয়ার আহমেদ ওরফে শাহজালাল ওরফে আরিফ (৩২), সাইফুল্লাহ ওরফে সাইফুল (তার পিতা মাতা অজ্ঞাত, শ্বশুর আব্দুল হাই ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা), সাতক্ষীরা জেলা সদরের লাফসা ইউনিয়নের মাগুরা পূর্বপাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম ওরফে আতিক (৩৭) ও পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠি) থানার উত্তর বালিহারী (মাঝিবাড়ি) গ্রামের স্বামী মোঃ হামিম হোসেন ওরফে ফাহিম ওরফে আনোয়ার আহমেদ ওরফে শাহজালাল ওরফে আরিফের স্ত্রী উম্মে হাফসা (২৫)।

নেত্রকোনা পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলা নং-১৬, তারিখ-১০.০৬.২০২৪ইং। তবে আসামীদের নাম ঠিকানা ছাড়া অন্য কোন তথ্য জানাননি তিনি। আসামীরা বিভিন্ন সময় নাম পরিবর্তন করে চলাচল করত।

এদিকে ২৯ ঘন্টা অভিযান চালানোর পর গত রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ভাসাপাড়া কাওলীকোনা ফিসারীর সামনে এক প্রেস ব্রিফিং-এ ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মো: শাহ্ আবিদ হোসেন জঙ্গি আস্তানা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভিযান সমাপ্তি ঘোষনা করেন। শুক্রবার রাতে ওই এলাকায় শিক্ষক আব্দুল মান্নানের ফিসারীতে জঙ্গি আস্তানা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সন্ধান পায় জেলা পুলিশ। যা বেশ কয়েকদিন আগে থেকে পুলিশের নজরদারিতে ছিল। এরপর শনিবার সকাল থেকে পুরো ফিসারী ঘিরে ফেলে পুলিশ। রবিবার ঢাকা থেকে এন্টিটেররিজম ইউনিটের সোয়াট ও বোমা ডিসপোজাল টিম কাজ করে। সারাদিন অভিযানের পর বিকালে ৬টি বোমা নিষ্ক্রিয় করা হয়। এছাড়াও অন্যান্য মালামাল জব্দ করে পুলিশ। ফিসারীর চতুর্দিকে সিসি ক্যামেরা বসানো ছিল। দীর্ঘদিন যাবত এখানে জঙ্গিদের নিবিড়ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হত বলে জানায় পুলিশ। চতুর্দিকে উঁচু দেয়ালে ঘেরা। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় কেউ তা বুঝতে পারতনা।

আরো পড়ুন : অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

এ ধরনের আরো খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

জনপ্রিয় খবর

G-P4YRF2NDHL