ঢাকাশুক্রবার , ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আরো
  4. কৃষি সংবাদ
  5. জাতীয়
  6. নেত্রকোণা জেলার খবর
  7. প্রধান খবর
  8. প্রযুক্তি
  9. ফিচার
  10. বিদেশ খবর
  11. বিনোদন
  12. বিভাগীয় খবর
  13. রাজনীতি
  14. রাশিফল
  15. লাইফস্টাইল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিমুল বাগানে পর্যটনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের রোজগার

জনপ্রিয় ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শিমুল বাগানে প্রতিদিন দর্শনার্থীদের আগমন হওয়ায় শতাধিক শ্রমজীবী মানুষের জীবিকায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাদাঘাট ইউনিয়নের মানিগাঁও এলাকায় যাদুকাটা নদীর তীরে এই শিমুলবাগ অবস্থিত।

প্রতিদিন শিমুলবাগের পার্শ্ববর্তী গ্রামের শ্রমজীবী মানুষেরা বিভিন্ন মালামাল নিয়ে বিক্রি করতে আসেন। প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থীরা বিক্রি করতে আসেন ফুল ও ফুলের মালা।

শ্রমজীবীরা আসেন আইসক্রীম বিক্রি করতে, কেউ তরমুজ, কেউ মিষ্টি, কেউ মরালী, কেউ আবার চানাচুর, কেউ চটপটি বিক্রি করেন। এসব শ্রমজীবী ও শিক্ষার্থীরা প্রত্যেকে মালামাল বিক্রি করে সংসারের খরচ যোগান দেন। এছাড়াও রয়েছে দর্শনার্থীদের বিনোদন উপভোগের জন্য মায়াবী ঘোড়া।

সুদর্শন চেহারার ছোট আকারের ঘোড়া চরে অনেক দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করেন। এতে একজন দর্শনার্থীকে দিতে হয় অল্প পরিমাণে পারিশ্রমিক। এই টাকায়ও চলে অনেকের ঘর সংসার। বাগানে আছে বিনোদনের স্মৃতি ধরে রাখতে পেশাজীবী ক্যামেরাম্যান। তাঁরা মেমোরী কার্ডে ছবি তোলে দেন। এতেও আয় রোজগার হয় প্রতিদিন প্রতিজনে ৪-৫ শত টাকা করে। এসব টাকাও সংসারে খরচ করেন তাঁরা।

প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থী রাসেল মিয়া, জহুর আলম, রিয়া বেগম জানান, তাঁরা প্রতিদিন ফুল বিক্রি করতে আসেন। এদের কেউ ঘাগটিয়া গ্রামের আবার কেউ মানিগাঁওয়ের বাসিন্দা। প্রত্যেকে দিনের শেষে অন্তত ২ থেকে ৩ শত টাকার ফুল বিক্রি করেন। এই টাকা খাতা-কলম ও স্কুলে আসা-যাওয়ার খরচ যোগার করেন। এছাড়াও সংসারের খরচ যোগান দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু হানিফা ঘোড়ায় যাত্রী বহন করে আনন্দ বিনোদন দেন। এতে কিছু টাকা উপার্জন প্রতি দর্শনার্থীর কাছ থেকে। এভাবে তাঁরা প্রায় ১০ জনের ঘোড়ার মাধ্যমে বিনোদন উপহার দিয়ে রোজগারী করেন। সারাদিনে অন্তত ৭ শত টাকা উপার্জন হয়। দর্শনার্থী বেশি হলে সর্বোচ্চ ১৫শত টাকা পর্যন্ত রোজগারী করতে পারেন একেক জনে।



ঘাগটিয়া গ্রামের আমিরুল ইসলাম জানান, দর্শনার্থীর মেমোরী কার্ডে তোলে দেন। এতে ছবি প্রতি পান ৫ টাকা করে। বেশি ছবি তোলে দিলে পান ৩-৪ টাকা করে। এতে প্রতিদিন ভাল রোজগার তাঁর।

ঘোড়ার সাওয়ার জলিল মিয়া বলেন, আমি প্রতিদিন ঘোড়ায় দর্শনার্থী বহন করে ১ হাজার টাকার মতো রুজি করি। বেশি দর্শনার্থী বাগানে আসলে প্রায় দেড় হাজার টাকা রুজি করতে পারি।

এই এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশী ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন দর্শনার্থীরা।

আরো পড়ুনঃ নেত্রকোনায় সবুজ পরিবেশ সৃষ্টিতে সচেতনতামূলক র‌্যালি

x