ঢাকাসোমবার , ৪ অক্টোবর ২০২১
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আরো
  4. কৃষি সংবাদ
  5. জাতীয়
  6. নেত্রকোণা জেলার খবর
  7. প্রধান খবর
  8. প্রযুক্তি
  9. ফিচার
  10. বিদেশ খবর
  11. বিনোদন
  12. বিভাগীয় খবর
  13. রাজনীতি
  14. রাশিফল
  15. লাইফস্টাইল

সুগার নিয়ন্ত্রণে কামাল এই পাতা : খাওয়ার পদ্ধতি জেনে নিন

অনলাইন ডেস্কঃ
অক্টোবর ৪, ২০২১ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

তেতো খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাসী অনেকেই। খাবার পাতে শুরুতেই নিমপাতা, উচ্ছে কিংবা করলা (Bitter Gourd) – এসবই আমরা খেয়ে থাকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেতো খাওয়া খুবই ভালো। এমনকী ডায়াবিটিস রোগীদের তেতো খেলে ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। এদেশে ডায়াবিটিস রোগীর সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের মতে শরীরে যে কোনও রোগ শরীরের বাত, পিত্ত এবং কফের সমতা বৃদ্ধি হয়। যে কোনও মানুষের ডায়াবিটিস তার কফের সমতা হারিয়ে ফেললে প্রকাশ পায়। শরীরের কফ ভাগে সমতা আনে তেতো খাদ্য – যেমন কালমেঘ, উচ্ছে/করলার রস, নিম পাতা/নিমের ছাল, চিরতা/ মেথি ইত্যাদি। সেই কারণেই বলা যায় যে, তেতো খেলে রোগীর সুগার নিয়ন্ত্রণে আসে। করলা (Bitter Gourd) আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা তেতো স্বাদের কারণে করলার পদ পছন্দ করেন না। কিন্তু সপ্তাহে অন্তত দু’বার আপনার ডায়েটে করলা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। করলা পাতা রস (Bitter Gourd Leaves) বা এর কোনও তরকারি সুগার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উপকারী।

করলা পাতা ওষধিগুণে পরিপূর্ণ

করলার মতো এর পাতায়ও রয়েছে বিভিন্ন ওষধি গুণ যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। করলা পাতায় সবজিরই মতো আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। করলা পাতা হালকা সবুজ এবং লম্বা আকৃতির। বেঙ্গালুরুর জীবোত্তমা আয়ুর্বেদিক কেন্দ্রের চিকিৎসক শারদ কুলকার্নি করলা পাতার উপকারিতার আমাদের জানান। তাঁর মতে এই পাতাগুলি ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ এবং তাই এগুলি আমাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার পুষ্টি।

করলা পাতা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

চিকিৎসকের মতে , করলা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিসিন এবং পলিপেপটাইড পি রয়েছে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। করলা পাতার নিয়মিত সেবন করলে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে, তাই এগুলো ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।

করলা পাতা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

করলা পাতায়ও ক্যানসার বিরোধী বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি আপনি নিয়মিত করলা পাতা খান, তাহলে এটি ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও, এর পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরের ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাস সংক্রমণ দূর করতে কাজ করে।

করলা পাতা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

যেহেতু করলা পাতায় ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, জিঙ্ক, ফাইবার এবং আয়রনের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে, সেগুলো আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনি প্রতিদিন করলা পাতার জুস পান করেন তাহলে আপনি নিজেকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। ক্রনিক কফ, হাঁপানি যাদের আছে তারাও করলার জুস খেলে উপকার পাবেন। এছাড়াও শ্বাসযন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে করলা। সর্দি কাশি জনিত সংক্রমণ থেকেও রক্ষা করে এই পাতা।

আরো পড়ুনঃ তুলসি পাতার গুণেই কমবে ডায়াবেটিস

ত্বকের জন্য উপকারী

আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের মতে, করলা পাতায় রক্ত বিশুদ্ধ করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি আমাদের ত্বক সম্পর্কিত রোগ যেমন ব্রণ এবং দাগ থেকে রক্ষা করে। করলার জুস ডিটক্স করে ত্বককে ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত করলা খেলে মুখে বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে আলাদা ভাবে রূপচর্চার প্রয়োজন পড়ে না।

কী ভাবে করলা পাতা সেবন করবেন?

করলার জুসে উপস্থিত উৎসেচক হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এর মধ্যে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন তারা যদি প্রতিদিন এক গ্লাস করলার জুস অল্প মধু দিয়ে খেতে পারেন ভালো উপকার পাবেন। করলা পাতা জলে ভালো করে ফুটিয়ে ফিল্টার করার পর পান করুন। জুস ছাড়াও আপনি চাইলে এর পাতা গুঁড়ো করেও খেতে পারেন। বাজার চলতি যে জুস পাওয়া যায়, সেগুলি না খাওয়াই ভাোল। এতে সোডিয়াম বেনজোইট মেশানো থাকে ফলে এগুলির কার্যকারিতা একটু হলেও কম হবে।

আরো পড়ুনঃ অ্যালোভেরা : কোন সমস্যায় কীভাবে ব্যবহার করবেন

সূত্র: এই সময়

x