G-P4YRF2NDHL G-P4YRF2NDHL
Thursday, June 13, 2024
Google search engine
Home Blog Page 2

মোহনগঞ্জে অবিচারের শিকার শিক্ষার্থী : হারপিক পানে হাসপাতালে ভর্তি

0
মোহনগঞ্জে অবিচারের শিকার শিক্ষার্থী : হারপিক পানে হাসপাতালে ভর্তি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অবিচারের শিকার সেই শিক্ষার্থী মম তালুকদার (১৪) হারপিক ও সেম্পু পানে আত্মহত্যার ব্যর্থ চেষ্টায় এখন মোহনগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তার পিতা মোঃ মহসিন মোহনগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। ডাঃ মুসা আহমাদের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এখন একটু ভালোর দিকে। বিষয়টি অবশ্যই তলিয়ে দেখা হবে।

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মম তালুকদার যাচাই-বাছাইয়ে প্রথম হয়।
তবে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে একই স্কুলের শরীর চর্চা শিক্ষক পাপী রানী দেবীর মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সম্পূর্ণা পন্ডিতকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়।

অনিয়মের বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মম তালুকদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা কবিরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেলেও পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন কর্তৃপক্ষ। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মম তালুকদার।

বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৮-২৯ এপ্রিল শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। এতে যাচাই বাচাইয়ে সবচেয়ে বেশি নাম্বার পেয়ে পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনির ছাত্রী মম তালুকদার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়। একই স্কুলের শরীর চর্চা শিক্ষক পাপী রানী দেবীর মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী সম্পূর্ণা পন্ডিত কাছাকাছি নাম্বার পায়। শিক্ষক পাপী রানীর মেয়েকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী করতে অনিয়মের আশ্রয় নেন প্রধান শিক্ষক।

প্রথমে মমর স্কাউটের সনদে স্বাক্ষর করলেও পরে সেই সনদ বাতিল করে দুইজনের নাম্বার সমান করে ফেলেন প্রধান শিক্ষক। শেষে লটারি করে সম্পূর্ণা পন্ডিতকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঘোষণা করা হয়। এমন অনিয়মের বিচার চেয়ে ইউএনওর কাছে অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী মম তালুকদার। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান ইউএনও।

বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কয়েক ঘন্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন ইউএনও কার্যালয়ে সহকারী ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে অনিয়মের জন্য প্রধান শিক্ষককে তিরষ্কার করলে পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রাখেন তিনি।

পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজী) আনেয়ার হোসেন বলেন, সকল বিবেচনায় মম তালুকদার বেশি নাম্বার পাওয়ায় তাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঘোষণা করা হয়। পরে নানা চাপের কারণে মমর প্রত্যয়ন করা স্কাউট সনদকে ভুল বলে চালিয়ে দিয়ে তার ৫ নম্বর কেটে দেওয়া হয়। এতেও মম ও সম্পূর্ণা পন্ডিতের নম্বর সমান হয়। পরে লটারি করে সম্পূর্ণাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঘোষণা করা হয়। এটি পুরোপুরি অনিয়ম। যেহেতু সম্পূর্ণা পন্ডিতের মা স্কুলের শরীর চর্চা শিক্ষক, এদিকে স্কুলের স্কাউটের কোন খাতাপত্র ঠিক নেই। তিনি ইচ্ছে করলেই যাকে খুশি স্কাউট সদস্য দেখাতে পারেন। সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা যদি তাদের স্কুলে নিজের শিক্ষকদের কাছে অবিচারের-অনিয়মের শিকার হয়। তাহলে শিক্ষকদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধাবোধ উঠে যাবে।

বৈঠকে থাকা জেলা পরিষদ সদস্য সোহেল রানা জানান, এটা একদম পরিষ্কার যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনিয়ম করে সম্পূর্ণাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঘোষণা করেছেন। নিজের স্বাক্ষরিত সনদকেই অস্বীকার করে বলছেন- এটা তিনি ভুলে স্বাক্ষর করেছেন। এমন অনিয়ম মেনে নেয়া যায় না।

শিক্ষিকা পাপী রানী দেবী জানান, প্রথমে হিসেবে ভুল হয়েছিল। পরে সঠিক হিসেব করায় সম্পূর্ণা ও মমর পয়েট সমান হয়েছে। তবে স্কাউট শিক্ষার্থীদের কোন খাতাপত্র নেই। কে কখন স্কাউটে যোগদিল তারও কোন তথ্য নেই
বলে জানান তিনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা জানান, অনিয়ম করে নাম বাদ দেওয়ার মম খুবই ভেঙে পড়েছে। ভয়ে আছি কোন দুর্ঘটনা করে বসে কিনা। আমি অনিয়মের বিচার চাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা সবগুলো প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে পয়েন্ট অনুযায়ী শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঘোষণা করি। অভিযোগ পেয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে যোগাযোগ করে জেনেছি- তাঁদের নির্বাচন সঠিক ছিল।

পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল বাশার বলেন, প্রথম ঘোষণা ভুল ছিল। পরে সঠিক হিসাব করে দুইজনের নাম্বার সমান হওয়ায় লটারিতে নির্বাচন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা কবির বলেন, ভুলে মমর স্কাউট সনদ প্রত্যয়ন করেছেন বলে জানিয়েছেন করা হয়েছে প্রধান শিক্ষক। যদিও এক্ষেত্রে ভুল প্রত্যয়নের সুযোগ নেই। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্যদের সাথে বসে মিমাংসা করা হয়েছে। এতে পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে। স্কুলের স্কাউট বিষয়ে যোগদান, প্রশিক্ষণসহ শিক্ষার্থীদের খাতাপত্র সঠিক নেই। কে স্কাউট সদস্য তা জানারও সুযোগ নেই। সবকিছুই শিক্ষকের মনগড়া। এ বিষয়টি সঠিক জায়গায় নিয়ে আসা হবে। আমাদের প্রতিনিধি দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় অবস্থানকালে ক্রিয়া শিক্ষিকার মেয়ের পক্ষে ইউএনও মহোদয়ের নিকট মোবাইল করতে শোনা যায়। শিক্ষিকা পাপি রানী তার মেয়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী ঠিক রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরো পড়ুন : মোহনগঞ্জে ছিনতাইকারীর কবলে এক নারী

মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি:

মোহনগঞ্জে ছিনতাইকারী কবলে এক নারী : ছিনতাইকারী আপন ও সৎভাই

0
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মেয়ের বাড়ি থেকে গরু কেনার জন্য টাকা নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন নাজমা আক্তার নামে এক নারী। পথে চার ব্যক্তি তার হাতে ছুরিকাঘাত করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। তবে ছিনতাইকারীদের দেখে নাজমা চমকে উঠেন। ওই চারজনের দুইজন তার সহোদর ভাই অপর দুইজন সৎ ভাই। এ ঘটনায় চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ওই নারী।
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরশহরে টেংগাপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী নাজমা আক্তার উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের হাছলা গ্রামের মৃত নবাব মিয়ার মেয়ে।
আর অভিযুক্তরা হলেন, মৃত নবাব মিয়ার ছেলে শফিক মিয়া (৩৫), আনিছুর রহমান (৪৫), মুশফিকুর রহমান (৩৮) ও বাবু মিয়া (৩৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাজমা মঙ্গলবার নেত্রকোনা শহরে তার মেয়ের থেকে গরু কেনার দুই লাখ টাকা নেন। এসময় তার ছেলে ও ওই চার ভাই পাশে ছিল। টাকা নিয়ে সন্ধ্যায় বাসে করে মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা করেন নাজমা। সাথে ছেলে ও চার ভাইও আসেন। রাত পৌনে ৮টার দিকে মোহনগঞ্জ পৌরশহরে নেমে অটোরিকশাতে ওঠার সময় নাজমার হাতে ছুরিকাঘাত করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় ওই চার ভাই। এসম ব্যাগে থাকা সোনার চেইনও নিয়ে যায়। তার সাথে থাকা ভাইয়েরা ছিনতাইকারী এটা দেখে চমকে যান নাজমা। মাকে বাঁচাতে গেলে মুশফিকুজ্জামান ইফাতকেও কিল ঘুষি দিয়ে আহত করে চলে যান ওই চারজন। পরে নাজমাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহায়তায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমার ছেলে মুশফিকুজ্জামান ইফাত বাদী হয়ে তার চার মামার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী নাজমা আক্তার জানান, মেয়ের কাছ থেকেে গরু কেনার জন্য দুই লাখ টাকা নিয়ে আসি। টাকা নেওয়ার সময় আমার ছেলে ও চার ভাই সাথে ছিল। টাকাগুলো ও সোনার চেইন একই ব্যাগে রেখে সবাই একসাথে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেই। মোহনগঞ্জ পৌছেই চারভাই আমার ব্যাগ নেওয়ার জন্য টানাটানি শুরু করে। বাধা দিতেই হাতে ছুরিকাঘাত করে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। আমার অপর ছেলে তাদের আটকাতে গেলে তাকেও কিল ঘুষি মেরে আহত করে চলে যায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত চারজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মহিলার এক ছেলে একটি অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজের ২ দিন পরে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

0
ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজের ২ দিন পরে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজের দুই দিন পরে বাড়ির পাশের গলি থেকে নিবির (১২) নামে ৫ম শ্রেণীর এক স্কুল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের মাদ্রাসা পাড়ায় বাড়ির পাশের গলিতে নিবিরের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নিবির (১২) ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাদ্রাসা পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও ওমান প্রবাসি আব্দুস সালাম বাবলুর ছেলে। সে সালান্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এবিএন ফিরোজ ওয়াহিদ।

পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বাড়ি থেকে খেলতে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি নিবির। এ নিয়ে সদর থানায় জিডি ও এলাকায় মাইকিং করা হয়। শনিবার মধ্য রাতে বাড়ির জানালায় বিকট শব্দ করে কিছু দূর্বৃত্ত। সকালে বাড়ির পাশের গলিতে নিবিরের নিথর মরদেহ পরে থাকতে দেখে চিৎকার করে উঠে তার মা । পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (ওসি) ফিরোজ ওয়াহিদ জানায়, আমারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পরে তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত আরো জানা যাবে।

আরো পড়ুন: মোহনগঞ্জে নারিকেল পারা নিয়ে সংঘর্ষ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

মোহনগঞ্জে নারিকেল পারা নিয়ে সহোদর ভাইদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৮

0

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরসভার টেংগাপাড়া এলাকায় যৌথ পরিবারের গাছ থেকে নারিকেল পারা নিয়ে সহোদর ভাইদের পরিবারের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের ৮/৯ জন আহত হয়েছেন।

এরমধ্যে গুরুতর আহত সেলিম মিয়াকে ময়মনিসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এ ঘটনায় মোহনগঞ্জ থানায় রুজু করা মামলায় সেলিম মিয়ার সহোদর ভাই মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে পৗরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় ও বৃহস্পতিবার সকালে দুই দফা সংঘর্ষে তারা আহত হন।

পুলিশ, স্থানীয় সূত্র ও আহতদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে নিজেদের পারিবারিক গাছ থেকে নারিকলে পারেন সেলিম। সেই নারিকেল অপর তিন ভাই মজনু মিয়া, ফজলুর রহমান ও আজিজুল হকের বাসায় ভাগ করে দেন। তবে ভাগ কম বেশি হওয়ায় কারণে ভাতিজারা সেলিমের সাথে তর্কতর্কি শুরু করে। এক পর্যায়ে সেলিমকে তারা মারধর করে সামান্য আহত করে। পরে রাতে এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ক্ষুর ও দেশিয় অস্ত্রের আঘাতে সেলিমসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ৬জনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সকালে সেলিম দোকানে গেলে তার হাতে ও পিঠে ক্ষুরের আঘাতে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আহত সেলিমের পক্ষের লোকজন জানায়, অপর তিন ভাই ও ভাতিজারা মিলে সেলিম ও তার শশুর, শাশুড়ি ও শালীর ওপর হামলা চালায়। তাদের পিঠিয়ে জখম করে। ঘরে দরজা দিয়ে তারা লুকিয়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে দফায় দফায় সেলিমকে ক্ষুর দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। উক্ত এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে ।

এদিকে সেলিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, প্রথমে নারকেল নিয়ে ভাতিজারা সেলিমকে কিছুটা হেনস্থা করে। আমার রাতে বিষয়টা সমাধান করব ভেবেছি। কিন্ত রাতে বড়কাশিয়া থেকে সেলিমের আত্মীয়রা এসে বাড়িতে ঢুকে নারী-পুরুষ সবাইকে এলোপাথারি ক্ষুর ও রামদা দিয়ে কুপানো শুরু করে। এতে আমাদের পক্ষের চারজন গুরুতর আহত হয়। ক্ষুরের আঘাতে রাজিমুলের পেট বের হয়ে গেছে। হাত কেটেছে একজনের, মুখে ক্ষুরের আঘাত করেছে। নিজেদের লোকজনের এমন রক্তাক্ত অবস্থা দেখে আমাদের ঘরের ছেলেরা উত্তেজিত হয়ে মারধর করতে গেলে তারা ঘরের দরজা লাগিয়ে ফেলে। সেলিম ছাড়া অন্যদের মারধরের ঘটনা সাজানো। এ ঘটনায় আমাদের পক্ষ থেকেও মামলার আবেদন করা হচ্ছে।

এদিকে রাতের ঘটনায় সেলিম মিয়া বাদী হয়ে মজনু মিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে সকালে মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরো পড়ুন : মোহনগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদ্বোধন 

মোহনগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

0

“প্রাণিসম্পদে ভরবো দেশ-গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৪ এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সংলগ্ন শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে ওইদিন সকালে “জাতীয় প্রাণীসম্পদ সেবা সপ্তাহ ২০২৪ ” এর ভার্চুয়ালীভাবে আনুষ্টানিক উদ্বোধন করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা কবিরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুমিত বণিকের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র লতিফুর রহমান রতন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ আব্দুর রহিম,

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ দত্ত, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য এডভোকেট আব্দুল হান্নান রতন, ইউপি চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন চৌধুরী , এলাকার সফল খামারী হাজী সুলতান আহমেদ প্রমূখ।

অনুষ্টান শেষে অতিথিবৃন্দ দেনব্যাপী চলা এ প্রদর্শনীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অংশ গ্রহণকারী খামারীদের প্রদর্শীত বিভিন্ন স্টল পরির্শন করেন।

আরো পড়ুন : ধর্ষণ মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

ধর্ষণ মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

0
ধর্ষণ মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

নেত্রকোনার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে কিশোরগঞ্জ র‌্যাব-১৪-এর সিপিসি-২। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন বেলদি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত মাহবুবুর রহমান(২৬) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা গ্রামের মোঃ ফুল মিয়ার ছেলে। সে একজন মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। জেলার দূর্গাপুর উপজেলার মিসফাতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার কুদুরী শাখায় পড়াশুনা করত সে।

কিশোরগঞ্জ র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার আশরাফুল কবীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব সূত্রে আরো জানা যায়, ভিকটিম ওই মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশুনা করাকালীন আসা যাওয়ার পথে আসামী মাহাবুবুর রহমান ভিকটিমকে কুপ্রস্তাব দিত। এক পর্যায়ে গত ২৮ জানুয়ারী ৯টায় দূর্গাপুর উপজেলার পুকুরিয়াকান্দা গ্রামে ভিকটিমের বাসা থেকে মাদ্রাসায় যাচ্ছিল। এ সময় রাস্তা থেকে মাহাবুবুর রহমানসহ তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে।

পরে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন এমএবি ইটের ভাটা এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে ভিকটিমকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। উক্ত ঘটনায় গত ১৩ মার্চ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দূর্গাপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

কিশোরগঞ্জ র‌্যাব-১৪ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানাধীন বেলদি বাজার এলাকা থেকে পলাতক আসামী মাহবুবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে সে।

তিনি আরো জানান, র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ এর উৎস উৎঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতারসহ আইন-শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। র‌্যাব-১৪ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধ কর্মকান্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৪ অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরো পড়ুন : বারহাট্টার প্রধান শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

বারহাট্টার প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক সাময়িক সাসপেন্ড

0
বারহাট্টার প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক সাময়িক সাসপেন্ড

নেত্রকোনার বারহাট্টার প্রতারণার মামলায় কারাগারে যাওয়ায় প্রধান শিক্ষক এসএম সাজ্জাদুল হক ওরফে সবুজ মাস্টার নামে শিক্ষককে সাময়িক সাসপেন্ড করেছে শিক্ষা বিভাগ।

সাময়িক সাসপেন্ড হওয়া শিক্ষক এস এম সাজ্জাদুল হক ওরফে সবুজ মাস্টার (৫৫) নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আশিয়ল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ।

মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আলী রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রতারণা মামলায় কারগারে যাওয়ায় গত ৯ এপ্রিল প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র জেলা ও উপজেলায় পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ৩১ মার্চ প্রতারণা মামলায় শিক্ষক সাজ্জাদুল হক ওরফে সবুজ মাস্টার কে কারাগারে পাঠান আদালত।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়ি চালক পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আল আমিন নামে এক যুবকের থেকে ৫ লাখ টাকা নেন শিক্ষক সাজ্জাদুল। আল আমিন বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। শিক্ষক সাজ্জাদুল ও আল আমিন পূর্বপরিচিত। সাজ্জাদুলের পরামর্শে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়িচালক পদে আবেদন করেন আল আমিন।

২০২৩ সালের শুরুতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ বাবদ পাঁচ লাখ টাকা নেন সাজ্জাদুল। শর্ত অনুযায়ী চাকরি না হলে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেননি তিনি।

এ ঘটনায় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে প্রতারণার মামলা করেন আল আমিন। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি আদালত এসএম সাজ্জাদুল হাসান সবুজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তখন সাজ্জাদুল উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পান। পরে ৩১ মার্চ নেত্রকোনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোশতাক আহমেদের আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন চাল সাজ্জাদুল হক।

তবে বিচারক তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শেষে ৫ এপ্রিল তিনহ জামিন পেয়ে কারাগার থেকে ছাড়া পান। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত শিক্ষা বিভাগ।

আজ ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে বারহাট্টা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক সাজ্জাদুল হককে বরখাস্ত চিঠি গতকাল সোমবার তাঁর ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন। এদিকে ওই বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

আরো পড়ুন : ঠাকুরগাঁওয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

মদনে এডভোকেট রুহুল আমিনের বাড়িতে সন্ত্রাসীর হামলায় আহত ৩

0
মদনে এডভোকেট রুহুল আমিনের বাড়িতে সন্ত্রাসীর হামলায় আহত ৩

নেত্রকোনা মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে পাঁচ আলমশ্রী গ্রামে গত শুক্রবার(১২ এপ্রিল) দুপুরে এডভোকেট রুহুল আমিনের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এসময় ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়েছেন অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন ও তার বড় ভাই সোহেল (৪০) আবু তাহেরের ছেলে টিটু মিয়া।

প্রতিবেশীর লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের অবস্থা অবনতি থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ৩-৪দিন আগে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এডভোকেট রহুল আমিন এর বড় ভাই নায়েকপুর ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য মাইনুল ইসলাম জুয়েলের সাথে একই এলাকার মিন্টু ও বিবেক মিয়ার সাথে কথার কাটাকাটি হয়েছিল।

এরই জের ধরে গত শুক্রবার দুপুরে পাছ আলমশ্রী গ্রামের খান বাহাদুরের ছেলে এডভোকেট রুহুল আমিন (৩৬) ও তার বড় ভাই সোহেল (৪০) আবু তাহের এর ছেলে টিটু মিয়া (২২)কে একই গ্রামের চান বাহাদুরের ছেলে সেবক মিয়া,মিন্টু ও মল্লিক বাহাদুরের ছেলে ফারুক এবং হাসেম মিয়ার ছেলে আরিফ সন্ত্রাসী কায়দায় এডভোকেট রুহুল আমিনের বাড়িতে হামলা করে।

এ ঘটনায় মদন থানার এস আই আব্দুল হাই এ প্রতিনিধিকে জানান, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিনের বড় ভাই মাইনুল ইসলাম জুয়েল মদন থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

আরো পড়ুন : ঠাকুরগাঁওয়ে পানিতে ডুবে নিহত দুই

ঠাকুরগাঁওয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

0
ঠাকুরগাঁওয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে ইয়াসমিন (১০) ও তসলিমা (১১) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কুলিক নদীতে খন্জনা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত ইয়াসমিন উপজেলার খন্জনা গ্রামের ইব্রাহীম আলীর মেয়ে ও তসলিমা আক্তার দিনাজপুর সদরের ইউসুফ আলীর মেয়ে। তসলিমা তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন৷

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদে মা-বাবার সঙ্গে খালার বাড়িতে বেড়াতে আসে তসলিমা। আজ রবিবার দুপুরে পাশের বাড়ির ইয়াসমিনের সঙ্গে বাড়ির পাশে খেলছিল তসলিমা। পরে সকলের অগোচরে বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করতে নামে তারা দুইজন। এদিকে দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে নদীতে দুইজনের মরদেহ ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, ‘দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।’

দুঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে রাণীশংকৈল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার নাছিম ইকবাল বলেন, দুপুরে তারা দুইজন মিলে কুলিক নদীতে গোসল করতে নেমেছিলেন৷ কিছুক্ষণ পরে তারা ডুবে যায়৷ এলাকাবাসী দেখে তাদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে ইয়াসমিন মারা যায়। আর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তসলিমা মারা যায়৷

লেহেম্বা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবুল কালাম ইসলাম দুই শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত দুই শিশু হলো- খঞ্জনা গ্রামের ইব্রাহিমের মেয়ে ইয়াসমিন (১০) এবং দিনাজপুর সদর রেলস্টেশন এলাকার ইউসুফ আলী ও সাথি দম্পতির মেয়ে তসলিমা (৮)। শিশু তসলিমা গতকাল শনিবার দিনাজপুর থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে রাণীশংকৈল খঞ্জনা গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

রানীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। পরিবারের সদস্যদের কোনো আপত্তি না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরো পড়ুন : আটপাড়ায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

আটপাড়ায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

0
আটপাড়ায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

নেত্রকোনার আটপাড়ায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন-১৪৩১ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯ ঘটিকায় একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম. সাজ্জাদুল হাসান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান নন্দন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তানিয়া নাজনীন চৌধুরী রেখা, উপজেলা প্রকৌশলী আল মুতাসিম বিল্লাহ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওমর ফারুক, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান, দুওজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুল হক তালুকদার, তেলিগাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র দাস , বাউসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক, দৈনিক আজকের পত্রিকার আটপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি ফয়সাল চৌধুরী প্রমুখ।

আরো পড়ুন : কলমাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন

G-P4YRF2NDHL